ডেস্ক রিপোর্ট | রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬ | প্রিন্ট | 6 বার পঠিত

খুলনার একটি বন্ডেড প্রতিষ্ঠানে যাওয়ার কথা ছিল শুল্কমুক্ত সুবিধায় আমদানি করা প্রায় ৭৩ টন ডুপ্লেক্স বোর্ড। তবে নির্ধারিত রুট পরিবর্তন করে এসব পণ্য নিয়ে পুরান ঢাকার নয়াবাজারে ঢোকে ১০টি ট্রাক। সেখানে পণ্য খালাস করে বিক্রির প্রস্তুতি চলছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ট্রাকগুলো আটক করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি)।
গত শুক্রবার রাতে অভিযান চালিয়ে ট্রাকগুলো আটক করা হয়। আটক ১০টি ট্রাকের মধ্যে নয়টিতে ডুপ্লেক্স বোর্ড পাওয়া গেছে। অপর একটি ট্রাকে থাকা পণ্য এখনো শনাক্ত করা যায়নি। গতকাল শনিবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কাস্টমস গোয়েন্দাদের উপস্থিতি টের পেয়ে বহরের একটি ট্রাক পালিয়ে যায়। পরে নয়াবাজারে আগে থেকে অবস্থান করা আরও একটি ট্রাক শনাক্ত করে আটক করা হয়। পালিয়ে যাওয়া ট্রাকটি শনাক্ত ও আটকের চেষ্টা চলছে।
কাস্টমসের নথি অনুযায়ী, ভারতের মেহালি পেপার্স প্রাইভেট লিমিটেড থেকে খুলনার শ্রী ফ্লেক্সোপ্যাক লিমিটেডের নামে এসব পণ্য আমদানি করা হয়। চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস থেকে পণ্যগুলো খালাস করা হয়। এর সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট এম এ আজাদ অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেড এবং পরিবহনকারী প্রতিষ্ঠান ডেল্টা ট্রান্সপোর্ট সার্ভিস।
চট্টগ্রাম থেকে খুলনাগামী পণ্যবাহী যানবাহনের প্রচলিত বাইপাস রুট হলো কাঁচপুর-সাইনবোর্ড-পোস্তগোলা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে-পদ্মা সেতু হয়ে খুলনা। কিন্তু আটক ট্রাকগুলো ওই রুট অনুসরণ না করে পুরান ঢাকার নয়াবাজারে ঢোকে। নয়াবাজার, রায়সাহেব বাজার ও তাঁতীবাজার খুলনাগামী স্বাভাবিক পরিবহন পথের বাইরে।
বন্ড সুবিধার পণ্য খোলাবাজারে বিক্রির সুযোগ নেই
বন্ড সুবিধায় শুল্কমুক্তভাবে আমদানি করা কাঁচামাল অনুমোদিত কারখানা বা গুদামে নিয়ে উৎপাদন কাজে ব্যবহারের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। অনুমোদন ছাড়া অন্য গুদাম বা আড়তে স্থানান্তর, খোলাবাজারে বিক্রি বা উৎপাদনের বাইরে ব্যবহার করলে তা বন্ড সুবিধার শর্ত লঙ্ঘন এবং সম্ভাব্য শুল্ক-কর ফাঁকি হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
তবে এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের দায় এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
আটক ট্রাকগুলোর মালিকানা, পণ্যের পরিমাণ, পরিবহন সিল, আমদানি ও পরিবহন-সংক্রান্ত নথি, বন্ড লাইসেন্স এবং ইউটিলাইজেশন পারমিশন যাচাই করছে সিআইআইডি।
একই সঙ্গে নয়াবাজারের সম্ভাব্য ক্রেতা বা আড়তদার, আমদানিকারক, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ও পরিবহনকারীর ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তদন্তে অনিয়ম বা বন্ড সুবিধার অপব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কাস্টমস ও বন্ড-সংক্রান্ত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Posted ৮:০৮ এএম | রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬
ইউএসএ থেকে প্রকাশিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল | Mr. Dulal
এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
এ বিভাগের আরও খবর
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।